ভাবছি একদিন বিরিশিরি যাবো

ভাবছি একদিন বিরিশিরি যাবো


ভাবছি, একদিন বিরিশিরি যাবো।
নেহাত অফিস থেকে ছুটি না পেলে,
অন্ততঃ একদিনের জন্য হলেও
ভাবছি, বিরিশিরি যাবো।
অমিতা সাঙমা'কে ফোন করে বলবো - 
'আসছি'

একদিন সূর্য ডোবার আগে আগেই পৌঁছে যাবো দূর্গাপূর। 
সেখান থেকে রিকশা করে 
সোজা YWCA. 
মেঠো পথে পাহাড়ি ফুল
নিবিষ্টে ফুটে থেকে স্বাগত জানাবে খুব।
রিকশা'র টুং-টাং শব্দে আমি ব্যহত করবো নৃ-জীবন।
তারপর নীল-হ্রদ বিজয়পুরপাহাড়, গীর্জা কোথাও যাবো না আর।
সারারাত শুধু অলস বসে কাটাবো গাঢ় দোতলা'র বারান্দায়।
বনগন্ধি বিয়ারের সাথে শুয়ে দেখবো অন্ধকার
নিঃস্তব্ধ প্রাচীন অরন্যের নকচার্ন শফ্যে.
--------------------------------------------


আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

অথচ বিকেল গড়াতেই,
একদল অশ্বারোহী'র মত প্রবল বৃষ্টি এল।
ফলে অবিশ্রাম ভিজে গেল গুলশান এভেনিউ;
শতবর্ষী শিরীষ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ।
ভিজে জুবুথুবু হল আমাদের রুফ-টপ।
কাছেই কোথাও প্রচন্ড শব্দে বাজ পড়লো।
বাদল-মেঘে আমরা সবাই
দল বেঁধে শোকার্ত হলাম।
আমাদের নিপুন মনে পড়ে গেল
যার যার বেড়ে ওঠার কাল;
সবুজ ক্লোরোফিলের দিন।
রাস্তায় ঘরমুখী মানুষ পড়লো বিপাকে।
বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ব্যবহৃত হল গামবুট,
ছাতা ও বর্ষাতি।
আমদের কারু কারু কাছে
উড়ে এলো টেলিফোনি;
বৃষ্টিবাহিত মেলানকলিয়া।
আমরা দূর-বীক্ষনে দেখে নিলাম-
অফিসপাড়া'র দু'য়েকটি মেয়ে
বৃষ্টিতে কেমন কাকভেজা হচ্ছে!
তাহাদের চুল ও চিবুক বেয়ে
কি অফুরান ঝড়ে পড়ছে
আবহাওয়া-বার্তার সলজ্জ ভুলত্রুটি!

-------------------------------------------