অপ্রকাশিত জীবনানন্দ

বহুবিধ চেষ্টা করেও আমি আজ পর্যন্ত "কালি ও কলম" এর নিয়মিত পাঠক হতে পারি নি।"পা" খানি হাতে নিয়ে কেবল "ঠক" হয়ে রইলাম নিজের কাছে।"কালি ও কলম" এর প্রতি এই ভালো লাগাটা নতুন নয় সেটা হোক পঠনে কিংবা দর্শনে।কাইয়ুম চৌধুরী যদি আর্টিস্ট না হয়ে কোন দৈব কারনে বিউটিশিয়ান হতেন তাহলে হলফ করে বলতে পারি প্রতি মাসে ঘটা করে আরো ডজন খানেক সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন দেখতাম আশেপাশে।
যাই হোক মূল বিষয়টা আসলে প্রিয়তম কবি জীবনানন্দ দাশকে ঘিরে।এবার ফাল্গুনে "কালি ও কলম" ভূমেন্দ্র গুহের সৌজন্যে "কবিতার পান্ডুলিপির খাতা ১৭" শিরোনামে কবির কিছু অপ্রকাশিত কবিতা ছেপেছে।আমার মা প্রায় বলেন প্রিয় জিনিস নাকি ভাগ করে খেতে হয়।তাই আসুন পড়া যাক শুদ্ধতম কবির কিছু শুদ্ধতম কবিতা।অবশ্য মূল পাতা জুড়ে কাইয়ুম চৌধুরীর যে নান্দনিক যাতায়াত ছিলো সেটা পাতে পড়লো না বলে যারপরনাই দু:খিত।


সাত
আমি কি আবার সেই নদীটিরে খুঁজি
মধ্যসমুদ্রের কোলে ব'সে
অন্ধকার রজনীরে বুকে নিয়ে
যাত্রাগত জীবনের শেষ পরিনাম
এমনই বা শান্তি --নিস্তব্ধতা
নদীরা জানে না এই প্রথা
জীবনের আশা করে সমুদ্রের বুকে এরা যেতেছে হারিয়ে
মৃত নাবিকের ভিড় জানে শুধু
মৃত বনস্পতিদের কান্ডে ভেসে ভেসে-
যে জীবন জলের গোলকধাঁধাঁ--অন্ধকার সময়হীনতা।

আট
'হে প্রাণ, তুমি কি উষ্ট্র;হে মৃত্যু, তুমি কি মরুভুমি'
'কোন জাতিস্মর জীবনের জন্ম হয় নাক'১
যেন শুধু জলের মতন পেয়েছে জীবন
আকাশের প্রতিবিম্ব বুকে রেখে
---তবু চোখ হীন ;---অবিকল দিক নির্ণয়নে
মানুষের ক্ষুধা, আশা ,নিষ্ফলতা ,মরণের মনে
জন্ম পেয়ে চির দিন লভিতেছে কুশ অগ্র স্বপ্নহীন নিরাবিল
বস্তুবিষয়তা----'

'হে নদী তুমি কি এই কথা বল' ---
শুধাল অসংখ্য পঙ্গু কার্তিকের নিরালোকে
'জাহ্নবী, কী বৈতরনী---দেখি না তোমাকে।
অথবা মৃত্যুর শান্তি ----অথবা প্রাণের জয়গান তুমি?
হে মৃত্যু তুমি কি উষ্ট্র ?প্রাণ তুমি কি মরুভূমি?'

বিকল্প :১ হবে মোর


নয়
কোথাও সূর্যের যেন নব নব জন্ম ঘিরে
মরণ উড়তে আছে শ্বেত পারাবত
কোথাও নক্ষত্রগুলি নিরাবিল রাত্রি নিয়ে
জীবন কি বৈতরনী তরীর নাবিক?

পারাবত,পারাবত তোমার হৃদয়ে ঢের রক্তবর্ণ ক্ষুধা
যেই খানে বর্ণহীন নিস্তব্ধতা ---তরঙ্গের প্রাণে কোনও অঙ্কুরের সুধা
ক্ষরিবে না কোনও দিন ----সব প্রীত ভ্রমণের শান্তি দিয়ে চিত্ত তার
শুদ্ধ অশ্রুহীনতায় সৎ১
আমাদের জীবনের নব নব সূর্যগুলো কপোতেরে দান২ করে
আমরাও স্হির মেরুনিশীথের নাবিকের মতন মহৎ৩
সততার দেখা পাব---সন্ধিহীন,স্বাক্ষরবিহীন।

বিকল্প: ১নত; ২প্রদক্ষিণ; ২নির্মোহ

দশ
জীবন কি নীরক্ত সম্রাট সুধাখোর
কূট ব্যবসায়ী নীল পার্শ্বচর গুলো তার মৃত্যুর উৎসব?
মানুষের তরে তবে কোন পথ
কোন অন্তরীক্ষে তারে নিয়ে যাবে আসন্ন সময়
সেইখানে বালুঘড়ি----বলো, তবে স্তব্ধতার মত
একদিন আকাশের সাথে ঢের ধ্বনি বিনিময়
করেছিল;---তার পর হয়ে গেছে আঁখিহীন ---চুপ---
প্রান্তরেরে শুষ্ক ঘাসে যে সবুজ বাতাসের আশা
একদিন বলেছিল:'আবার করিব আমি অমৃত সঞ্চয়'----
শত শত মেষশাবকের আঁখিতারকাও পেল যেন ভয়
শান্তি, শান্তি,
উত্তেজিত শপথের উৎসারণ প্লীহা ঘিরে থাকে না সতত
বালুঘড়ি হয়ে থাকে চির দিন স্তব্ধতার মত।

এন্ডগেম ও অন্যান্য

তাজা খবর নয়। বরং যথেষ্ট বাসি খবর। বাজারে "মেগাডেথ" এর নতুন এলবাম বেরিয়েছে। বাজারে না বলে বলা ভালো ইন্টারনেটে কিংবা টরেন্টে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাজারে আসার আগেই নাকি যাবতীয় জিনিসপত্র ঐখানে পাওয়া যায়। এন্ডগেমের বেলায়ও তা'র অন্যথা হলো না। ফলে অফিসিয়ালি রিলিজ হওয়ার সপ্তাহখানেক আগে থেকেই আমি এন্ডগেম শুনছি। মেগাডেথ একসময়ের খুব প্রিয় একটা নাম। বিশেষ করে মার্টি ফ্রিমেন যখন জড়িত ছিলেন ব্যান্ডটার সাথে। ওসময়ের এলবামগুলোতে (ক্রিপটিক রাইটিংস্, রিস্ক) তার একটা প্রভাব ছিলো। ওটা ভালো লাগতো। পিক্সার এনিমেসনের একটা শর্ট ফিল্ম আছে। নাম "ওয়ান ম্যান ব্যান্ড"। মেগাডেথের ক্ষেত্রে কথাটা শতভাগ প্রযোজ্য। সবেধন নীলমনি হিসেবে ডেভ মাস্টেইন-ই শুধু রয়ে গেলেন। যে কোন জেনারের ব্যান্ডের ইতিহাসে এটা একটা রেকর্ড হতে পারে। মাস্টেইন সহ এ পর্যন্ত ২০ জন মিউজিশিয়ান বাজিয়ে গেছেন মেগাডেথে। সে তুলনায় উল্লেখ করার মত কোন বৈচিত্র্য আসে নি ওদের কম্পোজিশনে। এর প্রধান এবং একমাত্র কারন মাস্টেইন নিজে। লিরিক থেকে শুরু করে কম্পোজিশনের সব জায়গাতেই তিনি তীব্র আপোষহীন থেকেছেন। এবং তা এতোটাই তীব্র যে বিভিন্ন সময়ে তা ব্যান্ডের অন্যান্য সদস্যদের জন্যে অসহনীয় হয়ে ওঠেছিলো। মেটালিকা থেকে বের করে দেওয়ার পেছনেও এরকম কারন ছিলো। সাথে উশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং ড্রাগ বিষয়ক সমস্যা তো ছিলোই। তবে এটা হলফ করে বলা যায় যে, মেটালিকা ছেড়ে আসার সময়ে তার মনে যে ক্ষোভ জন্মেছিলো, মেগাডেথ ফর্ম করার পর তা তিনি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পেরেছিলেন। কারন অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মেগাডেথ হেভি মেটাল কি থ্রাশ মেটাল মহলেও তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময়ের কোন পারমানেন্ট লাইনআপ ছাড়াই মেটালিকা, এনথ্রাক্স, স্লেয়ার এর সাথে এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায়। এটা থেকে মাস্টেইনে'র এক রোখা চরিত্র সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা মেলে।
মাস্টেইন নি:সন্দেহে একজন কিংবদন্তী, কিন্তু একই সাথে খুব খারাপ একজন ব্যান্ড মেম্বার, যিনি বিভিন্ন সময়ে নিজ খেয়াল খুশিতে লাইন আপে পরিবর্তন এনেছেন। কোন গ্রহনযোগ্য কারন দর্শানো ছাড়াই অন্যদের ছাঁটাই করেছেন। শুরুর দিকে অনেক খোঁজাখুঁজির করেও যখন ব্যান্ডের জন্যে কোন ভোকাল মিলছিলো না, তখন জেদের বশে নিজেই গাইতে বসলেন। মেটালিকা'র প্রতি আক্রোশটা তখনও মাথায় ছিলো। ভাগ্যিস তখন কেউ গাইতে রাজী হয় নি। নইলে আমি একজন প্রিয় ভোকাল হারাতাম। মাস্টেইনের গিটার প্লেয়িং এর চেয়ে ওর ডিফারেন্ট ভয়েসটা আমাকে বেশি আকর্ষণ করে। মাস্টারমাইন্ড, ড্রেড এন্ড দ্য ফিউজিটিভ মাইন্ড, দ্য হার্ডেস্ট পার্ট অব লেটিং গো...সিল্ড উইথ আ কিস্ সহ আরো অনেক গানই যতখানি না বাজানো তার'চে অন্যরকম ভোকালের জন্য ভালো লাগে। মাস্টেইনের খামখেয়ালিপনার সাথে মেগাডেথের লাইন আপ চেন্জকে জড়িত করে অনেক কানকথা চালু আছে। একবারে শুরুর দিকে স্লেয়ারের কেরিকিং মেগাডেথের সাথে কয়েকটা লাইভে বাজিয়েছিলেন। কেরি স্টেজে উঠলেই নাকি দর্শক শ্রোতা "স্লেয়ার! স্লেয়ার" বলে উল্লসিত হতো। এতে মাস্টেইন ব্যাপক মন:ক্ষুন্ন হন এবং দেরি না করে তৎক্ষণাৎ কেরিকে বিদায় জানান। গিটারিস্টদের মধ্যে একমাত্র মার্টি ফ্রিম্যানই দীর্ঘ দিন টিকেছিলেন। তাও মোটে নয় বছরের মত। একসময় মার্টি থ্র্যাশমেটালের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং জাপানে পাড়ি জমান। মাস্টেইন বাধা দেননি। নিন্দুকেরা বলে মার্টি চলে যাওয়ায় তিনি মোটেও অখুশি হননি। বরং এবার মনের সুখে সোলো বাজানো যাবে - এই ভেবে নতুন উদ্যমে রিদমিস্ট খুঁজতে বেরোন। ২০০২ সালের দিকে মাস্টেইন বাম হাতে ইনজুরির কারন দেখিয়ে ব্যান্ড ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং বিশাল ভক্তকুলের চোখ ভিজিয়ে মেগাডেথ সত্যি সত্যি ভেঙেও যায়। এসময় ডেভিডেরও বিদায় ঘন্টা বাজে, যিনি একদম গোড়া থেকেই ব্যান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। এই বেসিস্ট/গিটারিস্ট জুটি এর আগ পর্যন্ত খুব জনপ্রিয় ছিলো। বছর খানেক পরে মাস্টেইন সুস্হ হয়ে উঠলে নতুন লাইন আপ দাঁড় করানোর পরিকল্পনা করেন। কিন্তু কিছু ব্যবসায়িক কারনে এবং লেবেলে'র চাপে পড়ে পুরনো নাম ঠিক রেখে অর্থাৎ মেগাডেথ নামেই নতুন এলবাম রিলিজ করেন। তখন আর পুরনো বন্ধু ডেভিডকে সাথে নেয়ার প্রয়োজন বোধ করেন নি। খানিকটা অনাহূতের মত এভাবেই মেগাডেথের দ্বিতীয় জীবন লাভ ঘটে। নতুন এলবাম ডাউনলোড করা হয়ে গেলে সচরাচর যা হয়, সপ্তাহখানেক শুধু ওটাই শুনতে থাকি। একসময় কিছু ট্র্যাকের প্রতি আলাদা ভালো লাগা জন্মে যায়। এন্ডগেম - এ একটা রোমান্টিক গান আছে "দ্য হার্ডেস্ট পার্ট অব লেটিং গো...সিল্ড উইথ আ কিস" এই শিরোনামে। মেগাডেথ এর আগেও কিছু রোমান্টিক ট্র্যাক করে মেটাল ভক্তকুলের বিরাগ ভাজন হয়েছিলো। মেটাল মূলত: কিছুটা শিশুসুলভ ব্যাপার। এখানে কারুকাজ থাকে, বাজানোয় কিংবা গাওয়ায় ষোলআনা মুন্সিয়ানা থাকে। কিন্তু সামগ্রিক প্রকাশটা হয় উদ্দাম। উদ্দামতা কখনো গভীরতার প্রতিশব্দ হতে পারে না। আমার মতে রোমান্স একটা গভীর বিষয়। একারনে ধাতব ভক্তকুলে রোমান্সের খুব একটা কদর নেই। অথচ এবারের এলবামে এই গানটাই আমার সব'চে ভালো লেগেছে।

08 - The Hardest P...


Such a pretty face
Radiant, I saw you across the room
I knew I had to have you
Thus started the chase
I knew I would do anything to take your hand and make you mine
But I learned long ago
If you love someone you have to let it go
Let it go, Let it go
The hardest part of letting go is saying
Goodbye, Goodbye, Goodbye

Feathered away in a makeshift cell
Beneath the venemos moonlight
I unleash my plan to watch you fail
The one I am so proud
Go to sleep my love
And taste my sweet revenge upon your lips
Sealed with a kiss

(Solo)

I return to the masquerade ball
And hear the news of your weeping
Stone by stone imbued in the wall
Forever left for safekeeping
Go to sleep my love
And taste my sweet revenge upon your lips
Sealed with a kiss

But I learned long ago
If you love someone you have to let it go
Let it go, Let it go
The hardest part of letting go is saying
Goodbye, Goodbye, Goodbye
(Goodbye)
(Let it go)


এলবামের প্রথম ট্র্যাকটা একটা ইনস্ট্রুমেন্টাল - "ডায়ালেক্টিক কেয়স্"। কম্পোজিশনটা অসাধারণ। গিটারিস্ট হিসেবে এন্ডগেমে কাজ করেছেন ক্রিস ব্রডেরিখ। মেগাডেথের সাথে এটাই তার প্রথম কাজ। কিন্তু মাস্টেইনের সাথে ক'দিন টিকতে পারেন এটাই এখন দেখার বিষয়।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

নিকানোর পার্‌রার কবিতা অথবা প্রতিকবিতা

গত কয়েকদিন ধরে প্রায় বইটাকে আমার বিছানায় বালিশের পাশে পরে থাকতে দেখি।কখনো হা করে খোলা,কখনো উপুড় করে শোয়ানো, কখনো বা বন্ধ অবস্হায়।যেহেতু আমার বিছানায় এখনো আমি একা ঘুমোই তাই প্রাথমিকভাবে ধারনা করে নেয়া যায় যে বইটি আমিই পড়ছি!
মানবেন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের একটি অনুবাদ-"শ্রেষ্ঠ কবিতা এবং প্রতিকবিতা"
মূল কবিতা গুলো চিলির কবি নিকানোর পার্‌রার।বইটি পড়ার আগে এন্টিপোয়েট বা প্রতিকবিতা সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারনা ছিলো না।এ কারনেই হয়তো মলাটের উপর নামটি দেখে পড়বার আগ্রহ বেড়ে গিয়েছিলো।ভদ্রলোক "Poemas y Antipoemas" এই বইটি দিয়েই বাজিমাত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে নিজেকে একজন প্রতিকবি হিসেবে দাবী করতেন।মরিচের মতো দেশ চিলিতে পাবলো নেরুদার পর তিনি ই সবচে বিখ্যাত কবি কিংবা প্রতিকবি।"দিসকুর্সোস" নামে কবিতা বিষয়ক তাত্ত্বিক আলোচনার একটি বইও বাজারে পাওয়া যায় যেটি দুজন মিলে ভাগাভাগি করে লেখা।নিকানোর পার্‌রার পারিবারিক ঐতিহ্য অবশ্য উল্লেখ করার মতো-পদবী দিয়েই পরিচিত এরকম একটা ফ্যামিলি।তিনি নিজেও প্রতিকবি হওয়ার পাশাপাশি আরো কিছু পরিচয় বহন করতেন।গনিতশাস্ত্র ,পদার্থবিদ্যা, কসমোলজি,তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ে তিনি পন্ডিতব্যক্তি ছিলেন।মার্কিন বিরোধী মনোভাব লালন পালন করলেও তিনি পদার্থবিদ্যায় পড়াশুনা করেছিলেন মার্কিন দেশে,ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে।প্রতিকবিতা সম্পর্কে বলতে গেলে বই থেকেই একটি লাইন কপি পেস্ট করা যায় (যা আমাকে প্রকৃতঅর্থেই প্রভাবিত করেছে):
"প্রভাব ফেলতে হলে কোনকিছুকে একলক্ষ শ্লোকের মহাভারত হতে হয় না"।পার্‌রা কিংবা চেখকবি মিরোস্লাভ হোলুব -ইনারা খুব একটা নন্দনতত্ত্বের ধার ধারেন না।কবিতা যেন ঢাল তলোয়ার,রূপের চর্চার চেয়ে শান দেওয়াটাই মূখ্য বিষয়।শ্লেষ,ব্যঙ্গ, চাঁছাছোলা ভাষায় শৈল্পিক গালিগালাজও বলতে পারেন।পড়তে অবশ্য বেশ লাগে।
আমার কিছু ভালো লাগাকে পাঠকের সাথে কিঞ্চিৎ ভাগাভাগি করতে চাইছি:

আমি প্রস্তাব করছি সভা মুলতবি থাক
সেনিওর এবং সেনিওরাগণ
আমার শুধু একটাই প্রশ্ন:
আমরা কি সুর্যের সন্তান না কি মাটি পৃথিবীর?
কেননা যদি আমরা শুধু মাটিই হই
আমি কোন কারন দেখি না
এই ছবিটার শুটিং চালিয়ে যাবার!
আমি প্রস্তাব করছি সভা মুলতবি থাক।


কোন কারনে ফ্রয়েড সাহেবের উপর বেজায় নাখোশ ছিলেন।
জিগমুন্ট ফ্রয়েড
মুখভর্তি পালক নিয়ে পাখি
মনোচিকিৎসকদের আর সহ্য করবে কে?
তারা সবকিছুই জড়িয়ে নেয় যৌনতার সঙ্গে।
সবচেয়ে তাজ্জব সব দাবি
পাওয়া যায় ফ্রয়েডের রচনায়।
এই সেনিওরের মতে
সমস্ত শঙ্কুল জিনিশই
-ঝরনাকলম,পিস্তল,মুগুর,
পেনসিল,গড়গড়া,ডাম্বেল-
পুংলিঙ্গের প্রতীক;
সমস্ত বর্তুল
স্ত্রীযোনির প্রতীক।

কিন্তু মনোচিকিৎসা এগিয়ে যায় আরো অনেকদূর
শুধু যে শঙ্কুল আর বর্তুল তাই নয়
প্রায় সব জ্যামিতিক বস্তই
প্রতীক হয়ে ওঠে যৌন কারখানার
মিশরের পিরামিড যার নজির যেমন।
কিন্তু তাই সব নয়
আমাদের নায়ক কিন্তু আরো এগোন:
যখন আমরা কোন হাতের কাজ দেখি
যখন দেখি ধরা যাক বাতি কিংবা টেবিল
মনোচিকিৎসক দ্যাখেন পুরুষাঙ্গ আর যোনি।
.............................................................
.............................................................
আমরা দেখতে পাই এক মোটরগাড়ি
মোটরগাড়ি পুরুষাঙ্গের প্রতীক
আমরা দেখতে পাই একটা বাড়ি উঠছে
বাড়ি আসলে পুরুষাঙ্গের প্রতীক
আমাদের নেমতন্ন করেছে সাইকেল করে বেড়াতে যেতে
বাইসাইকেল পুরুষাঙ্গের প্রতীক
.............................................................
.............................................................
আমরা খাই রুটি মাখন
মাখন পুরুষাঙ্গের প্রতীক
এক বাগানে আমরা খানিক জিরিয়ে নিই
প্রজাপতি পুরুষাঙ্গের প্রতীক
টেলিস্কোপ পুরুষাঙ্গের প্রতীক
বাচ্চা যে বোতল থেকে দুধ খায়
তা ও পুরুষাঙ্গের প্রতীক
.............................................................
.............................................................


কাজেই দেখছেন তো আমি চটে যাই নি মোটেই
আপনাকে আমি চাঁদটাই দিয়ে দিচ্ছি
সত্যি সত্যি ভাববেন না আপনাকে নিয়ে আমি কোন ইয়ার্কি করছি:
অগভীর ভালোবাসার সঙ্গে সেটা আপনাকে উপহার দিচ্ছি আমি
আমি কোন ঠ্যাং ধরে টানবার চেষ্টা করছি না মোটেই
যান নিজেই গিয়ে সেটাকে আপনি তুলে আনতে পারেন
আপনার খুড়ো যিনি আপনাকে ভালোবাসেন
আপনার রঙ বেরঙের প্রজাপতি
আপনাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যেতে আসছেন পবিত্র বেদী থেকে।


কতবার একথা বলবো আপনাদের
নিয়ে আসুন কিছু কীটনাশক
ছাত থেকে সাফ করে দিন মাকড়শার জাল
জানলাগুলো ধুয়ে দিন
মাছির গুয়ে ভরা সব কাচ
ধুলো ঝাড়ুন আশবাবগুলো থেকে
আর সবচেয়ে যেটা বেশি জরুরী
এই পায়রা গুলোকে তাড়িয়ে দিন তো
ওগুলো সবসময়েই আমার গাড়ির উপর হাগছে
কোথায় রাখলেন বলুনতো দেশলাইগুলো!!


আটটি ছোট সাইজের একসাথে করে নাম দেয়া হয়েছে তারবার্তাগুলি
তারবার্তাগুলি

১.

ঢের হয়েছে ক্যাবলামি
এখানে ফরাশগুলোর তলায় কিছুই ঝাঁট দেয়া হয় নি।
ঈশ্বর জগৎটা সৃষ্টি করেছেন সপ্তাহজুড়ে
আমি সেটা একমুহূর্তে ধ্বংস করে দিই।

২.
.............................................................
.............................................................
আমি বামপন্হীও নই দক্ষিণপন্হীও নই
আমি শুধু সব ছাঁচ ভেঙে ফেলি।

৪.
.............................................................
.............................................................
আমি এসেছি মিশরের পিরামিডগুলো থেকে
সত্যি সত্যি
ক্যাথিড্রালগুলো আসলে আমার বিচি ধরে টান দেয়।


আরো ১৭টি একসাথে করে :
চেয়ারে বসে ঘুম লাগায় এমন এক কবির কাছ থেকে চিঠি
১৫ নম্বর টা শুনে দেখুন।আপাদমস্তক এ্যান্টিপোয়েটিক হয়ে যাবেন!

১৫.
শেষবারের মতো আমি বলে যাচ্ছি কথাটা
শূককীটেরা হলো দেবতা
প্রজাপতিরা সব অনিবার ছোটা ফুল
খওয়া খওয়া দাঁত
সহজেই ভেঙে যায়
আমি হচ্ছি নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগের লোক।
চোদা এক সাহিত্যকর্ম।

কিংবা পরেরটি আরো এককাঠি সরেস
হুঁশিয়ারি
কোনো প্রার্থণা চলবে না ,হাঁচিও না।
থুতু ফেলা নয়,বাহবা দেয়া নয়,হাঁটু গেড়ে বসা নয়
পূজো না,চীৎকার না,ডুকরানি না
কেশে কেশে কফ তোলা না।
এ তল্লাটে ঘুমোবার অনুমতি নেই।
কোনো টিকে দেয়া না ,কথাবার্তা না,দল থেকে তাড়িয়ে দেয়া না।
চোঁ চোঁ দৌড় না,পাকড়ে ফেলা না।
ছোটা একেবারেই নিষেধ।
ধূমপান নিষেধ ।চোদা বারণ।

আধুনিক মানুষ
একটা ফাঁদে পড়ে গিয়েছি
মাত্র সাতটা রাস্তাই খোলা আছে তার কাছে
আর তাদের কোনো টাই রোম অব্দি নিয়ে যায় না।





এইসব পড়তে পড়তে প্রায় একটা কথা মাথায় ঘুরপাক খায়--
কাকে বলে কবিতা যদি তা না-বাঁচায় দেশ কিংবা মানুষ?
--------------------------------------------চেশোয়াভ মিউশ

শীতকাল চলে আসতেছে

শিফন পড়ো না আর,
শীতকাল চলে আসতেছে।
ঘুমন্ত সরীসৃপের মত 
অভিভাবকহীন শীতকাল!
ইলেক্ট্রিকের সব বাতিগুলো 
দ্যাখো 
কবেই নিভিয়ে দেয়া হয়েছে। 
সঞ্চিত মোমদানির গায়ে 
হেলে আছে অঘ্রাণ!

কেন মনে হলো 
আমাদের সবার চোখই নিঃসঙ্গ? 
দোতলার ল্যান্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে
ভুলে গেছি পাতা ঝড়ার শব্দ? 
ভুলে গেছি ঝিনুক।
কীভাবে গুটিয়ে আনে ব্যাপ্তি,
তার দীর্ঘ বিরাম।

যতদূর মনে পড়ে
তোমাকে সবুজ লনে ভালো লাগে।
তুমি পাকিস্তানি লন পড়ো তবুও
শিফন পড়ো না আর।
শীতকাল চলে আসতেছে!
-----------------------------------

নিভৃত ধানমন্ডিতে


তার সম্পর্কে আমার ধারণার পাশে

একটা লাজুক বনফুল ফুটে আছে।

নিভৃত ধানমন্ডি থেকে

তার দিকে

উড়িয়ে দিচ্ছি নিচু কাগজের প্লেন,

মোহন পিক-আপ লাইনস।

অলস অপরাহ্ন থেকে এগিয়ে দিচ্ছি গল্পের কফিমগ,

প্রথম আলাপের ভনিতা।

নিষ্ঠাবান প্রেমিকের মত

তুলে রাখছি আমার শ্রেষ্ঠ পরাগরেণু,

জোড়া রাজহাঁস

###

Patience [GnR Cover]

Ritwik and me trying Guns N' Roses at home! We forgot last 2 minutes though. Pardon.


তোমায় নিয়েই গল্প হোক [Cover]

হাইওয়ে সিনেমার গান। হোম রেকর্ডিংঃ 



G
ভিজছে কাক
Bm
আয়না থাক
C                 D
দেখুক তোমায় ফুলের দল
G
পথের বাঁক
Bm
আনতে যাক
C                D
বৃষ্টি ধোঁয়া কলসি জল
G
শহরতলি জুড়ে,গলির মোড়ে মোড়ে
C                D
তোমায় নিয়ে গল্প হোক
G            D           C
জানি তোমার ছন্দে অন্তমিল নেই
G                     D
তোমার উর্ধ্বগামী বালিশ ছেড়া
C           G......[Plucking]
স্বপ্ন ধোয়া উড়ছে উড়ুক উড়ছে উড়ুক
তোমার চোখ
মেঘলা হোক
তোমার কথা পড়ছে মন
আঙুল ছোয়া মুদ্রাদোষ
তোমার কথার খুব ওজন
হাজার করতালি
তোমায় বলে খালি
তোমায় নিয়েই গল্প হোক
জানি তোমার ছন্দে অন্তমিল নেই
তোমার উর্ধ্বগামী বালিশ ছেড়া
স্বপ্ন ধোয়া উড়ছে উড়ুক উড়ছে উড়ুক।। 

Fur Elise (Intro)

In an attempt to play the intro of Fur Elise, the most popular classical piece by Beethoven, of course with enough self-improvisation (best possible excuse when you cannot make sure the quality of original content) and ample background noises springing from natural events such as shuting the door abruptly and barking of a crow resting somewhere nearby my window :

The Book Thief

Just watched The Book Thief, a beautiful, poignant film by Brian Percival. Like many other feature films of now-a-days, it is also a 'based-on-the-novel'. The story line builds on WW2 viewed from the lens of an adolescent.

I found the story part not much interesting though. We have seen many of these kinds being The Pianist perhaps the best among them. What makes it different from the rests is mostly the visual, the wonderful cinematography and, of course, the screen play. Specially, I liked the third-party narrations pretending to be some omnipresent, spiritual entity (authority of death?).

Most of the shots were beautiful, pure pleasure to eyes. And, so was the young actress. At some point, I got a feeling like this kid is stealing the entire show with her long, engaging stare, bright look and good acting. I was surprised revealing her a Canadian. I thought, at least from her appearance, she'd be an European (French?).

The book reading part followed by the stealing act was good but not that much exciting as they could be. Her obsession for reading was well pointed out but could be given more emphasis to more establish her character as a book thief. However, she repeatedly claimed herself a book borrower. The big war along with its suspense and fear seemed to be a bit obscure, not so strongly present in the background.

Geoffrey Rush is awesome with all his nuances and humors. He got some unique expressions that I assume he improvised beyond the script. Emily was perfect as the very strict mother. And, so was the neighbor boy Rudy in his charming role. Overall I enjoyed watching the film, specially the first-half.

Looking forward to seeing more from Brian.  

খেয়ালি বাতাস


ইউটিউবে র‍্যানডমলি ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ নতুন কোন ভালো গান শুনলে আমার অদ্ভুদ একটা ভালো লাগার অনুভূতি হয়.....মনে হয় যেন গানটা বুঝি  মাত্র ১০-১২ টা view নিয়ে এতদিন আমার জন্যেই অপেক্ষা করে ছিল; হঠাৎ একদিন খুঁজে পাবো বলে। সাথে কিছুটা অপরাধবোধও জাগে এই ভেবে যে - এই গান কেমনে আমি এতদিন না শুনে থাকলাম!

এখন মনে পড়ছে অনেকদিন আগে পশ্চিম বাংলার একজন নতুন আর্টিস্ট-এর একটা গান খুঁজে পেয়েছিলাম। গানটার নাম ছিলো 'ঘুড়িপাখি'। তখনও একইরকম অনুভূতি হয়েছিল। কী অদ্ভুদ সুন্দর তার লিরিক আর টিউন! অথচ সেই গান পরে আর কেউ গাইলো না, শুনলোও না। এমনকী কোন এলব্যামেও রিলিজ পেলো না। মাঝে মাঝে মনে হয় অন্য আরো অনেক কিছুর মত আমাদের Appreciation এর ক্ষমতাও বোধহয় দিন দিন হ্রাস হ্রাস পাচ্ছে। 

অবশ্য এটা খুব স্বাভাবিক; এখন Trending এর যুগ। যে গান বা সিনেমা সাধারন আম জনতার ভালো লাগবে সেটাই রাতারাতি Trending এ যাবে; প্রচার ও প্রসার পাবে। তখন আমরা সবাই দলবেঁধে সেই গান বা সিনেমা দেখতে শুরু করবো। কিন্তু, মুশকিলের ব্যাপার হল আমজনতা বা Mob সবসময় একটা এভারেজ (আমাদের মত স্বল্প শিক্ষিত জাতির জন্যে বিলো এভারেজ) এনটিটি। তার প্রতিভা বা দক্ষতার স্বল্পতার কারনেই তো সে এলিট বা স্পেশাল কেউ হয়ে উঠতে পারে নাই। একমাত্র তার রুচির উপর যদি পুরো সমাজ নির্ভরশীল হয়ে পড়ে তাহলে বিষয়টা আতঙ্কের। তাই, এই Trending এর ভিতর দিয়ে কোন উচ্চ মার্গের বা ভালো জিনিসের প্রচার কোনদিন সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তের (শুধু অর্থনৈতিক বিভাজন অর্থে নয়) রুচিই প্রাধান্য পাবে। কিন্তু প্রশ্ন হইল - এই মাঝারি মানের লোক-সংস্কৃতি লইয়া আমরা কী করিব?                

যাই হোক যে গানটার কথা বলছিলাম, তার নাম - খেয়ালি বাতাস। 
এলবামের নাম- মেঘ, বৃষ্টি আর হেয়ালির গান।
লিরিক ও টিউন - নিয়াজ আহমেদ অংশু, ভোকাল - কাঁকন। 

বলা বাহুল্য, আমি আগে কখনো এদের কারুর নাম শুনি নাই। So, either I am ignorant or they are super- underrated. গানের টিউনে কিছুটা 'মহীনের ঘোড়াগুলি'র ইনফ্লুয়েন্স আছে। আমার ভালো লাগার পেছনে এটা একটা কারন হতে পারে। 

গানটা এ মাইনরে। সবচে' ইন্টারেস্টিং পার্ট হচ্ছে একজায়গাতে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক একটা কর্ড F# ঢুকে পড়ে এবং কেমন যেন একটা Gloomy feeling দেয়। শুনে দেখেন -


লিরিক আর কর্ডগুলো অনেকটা এরকমঃ 
Am                                    E
খেয়ালি বাতাসের ছোঁয়ার মত 
Am                         Dm      E
রূপালী মৃদু জলরেখার মত
C                           Am
রাতের কবিতার শেষে 
E                       Am
নিঝুম শহর ডাকে
Am                         C
আলোয় আর আলোয় 
Am                        G
আলোয় আলোয় ভরে
Am
তোমার ফিরে আসা 
E
আমার স্বপ্নে ভেসে।
Am
খেয়ালি বাতাসের ছোঁয়ার মত 

রূপালী মৃদু  জলরেখার মত।
D                                   C
এক জোনাকির জ্যোৎস্নাতে 
E                       Am
মৃদুমন্দ কালো 
D                         C   
ভাবছি ভীষণ ঈর্ষাতে 
E                         Am
চোখ কেন এলো
F#                           D
ঈর্ষা পোড়ায় বৃষ্টিটাকে
A                       E
স্বপ্ন আমার টলমল
F#                              D
ভালো বাসা রোদ খুঁজে 
E                         E         
তোমার দেয়া আলো। 

-------------------------

সেই ভালো সেই ভালো

রবীন্দ্রসঙ্গীতে ছাড়া আর কোনখানে আছে প্রেমের প্রকৃত মুঠিচোখ ও চুম্বন?
প্রাচীন বর্ষার মতো অঝোরে রবীন্দ্রগান নেমে আসে শুশ্রূষায়শোকে...
যেন কবির কথাই সত্যি হলো। গত কিছুদিন ধরে নতুন মুনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে অলমোস্ট গৃহবন্দী জীবন কাটাচ্ছি। এই দুর্যোগে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি আমার শুশ্রূষার দায়িত্ব নিয়েছে একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত। প্রাচীন বর্ষার মতো অঝোরে নেমে আসছে কিনা জানি না, তবে ২০১৪ সালের এই বোরিং শ্রাবণ মাসে রবীন্দ্রনাথের গান সে ভূমিকায় পুরোমাত্রায় কার্যকর।   
এই গান যে আগে কখনো শুনিনি তেমন নয়। বিভিন্ন কন্ঠে বহুশ্রুত হওয়া সত্বেও হয়তোবা নতুন ধরনের এরেঞ্জমেন্টের কারনে এই ভার্সনটা বেশি ভালো লেগেছে। গানের লিরিকটাতে কোথায় যেন একটা চাপা অভিমান আছেসহজ স্বীকোরক্তি আছেআছে প্রেমিকার কাছে অসহায় সমর্পন।
"সেই ভালো সেই ভালো,     আমারে নাহয় না জানো।
দূরে গিয়ে নয় দুঃখ দেবে,    কাছে কেন লাজে লাজানো ॥"
আহা, এর চেয়ে মধুর কমপ্লেইন আর কী হতে পারে? লাজানো- শব্দটা নতুন। রবীন্দ্রনাথ অন্ত্যমিল ঠিক রাখার জন্যে ব্যবহার করেছিলেন। মানে হল লজ্জা পাওয়া।
"উতল আঁচল, এলোথেলো চুল,    দেখেছি ঝড়ের বেলা।
তোমাতে আমাতে হয় নি যে কথা      মর্মে আমার আছে সে বারতা"
এই ভাষা এতো আধুনিক যে ঘুনাক্ষরেও মনে হয় না এটা প্রায় ৯০ বছর আগে লেখা গান। সাথে অবশ্যই ভিন্ন আঙ্গিকে পরিবেশনা ও গায়কী যোগ করেছে নতুন মাত্রা। ভয়ংকর রূপসী গায়িকার কথা না হয় নাই বললাম। 
ইদানীং অর্থোডক্স স্টাইলের পাশাপাশি আধুনিক/ অভিনব পদ্ধতিতে রবীন্দ্রগান গাওয়ার প্রয়াস প্রায়ই চোখে পড়ে। এটা নিয়ে তো একটা ক্ল্যাসিক্যাল ডিবেট চলছেই। আমার মনে হয় গানের মূল সুর ও মুড ঠিক রেখে নতুন এক্সপেরিমেন্ট গুলো চলতে পারে। ইনফ্যাক্টএকটা গান প্রচলিত ঘরানার বাইরে এসে নতুনভাবেব এরেঞ্জ করা অপেক্ষাকৃত কঠিন কাজএবং সেটা সফলভাবে করতে পারাটা অনেক কৃতিত্বের দাবী রাখে। এই গানটাতে যেমন খুব সুন্দর ভাবে গীটার এডজাস্ট করা হয়েছে।  



Nymphomaniac

Nymphomaniac



কাকে খুলে দিচ্ছো নাকফুল, পায়ের তোড়া মল? 
এই অমোঘ বর্ষায় রক্তগোলাপ ফেঁড়ে
কাকে খুলে দিচ্ছো গভীর সমুদ্র বন্দর, 
নির্জন লেবিয়া দ্বীপ?
চিবুকের ছায়ায় নিচে কাকে দিচ্ছো এতো আশ্রয়
এতো স্বীকৃতি?  
হঠাৎ আলাপে বলে দিচ্ছো প্রিয় রঙ, মেয়েলি বিষয়। 
জ্যোৎস্নায় চাদর পেতে কাকে দিচ্ছো অনিদ্রার শিরোপা,  
মেধার স্তন?
আলতো আঙুল-ছোঁয়ায় বলে দিচ্ছো তড়িৎ প্রবাহের দিক?

বেসিনের আয়নায় খুলে রাখা টিপ থেকে
কাকে দিচ্ছো নির্জন সন্ধ্যা?  
তোমার তীব্র মাধবীর নিচে 
একটা একান্ত ব্যক্তিগত দিন?  
-----------------------------

আবার এসেছে আষাঢ়

আবার এসেছে আষাঢ়



'দিন ধরে প্রায়ই বৃষ্টি হচ্ছে। হুট-হাট করে অন্ধকার, ধূলো বাতাসহুট-হাট করে আকাশে তুমুল কালো মেঘ। তারপর সবকিছু ছাপিয়ে প্রবল 
বৃষ্টি লাল-লাল কৃষ্ণচূড়ায় মুহুর্তে ছেয়ে যাচ্ছে রাজপথ। দূরে কোথাও তীব্র অনিচ্ছায় নুয়ে পড়ছে একটা নারকেল গাছ। রাস্তার মোড়ে ট্রাফিক জ্যাম, লালবাতি, সবুজ বাতি...সবাই ভিজছে। নির্জন বাড়ির ছাদ, ল্যাম্পপোস্ট, মোবাইলের টাওয়ার একা একা ভিজছে। শুষ্ক হৃদয় নিয়ে ঊর্দ্ধমুখে ভিজছে মানুষগাছপালা, শহর, পাখি। বিশ্রী রকম গরমের পরে এ যেন বড় আকাঙ্খার বৃষ্টি। 

আমার অবশ্য বৃষ্টিতে ভিজতে এতো ভালো লাগে না। বৃষ্টি'র দিনে আমার সবচে' প্রিয় কাজ হল জানলার পাশে বসে বৃষ্টি দেখা আর গান শোনা। এখন যেমন শুনছি- রবীন্দ্রনাথের 'আবার এসেছে আষাঢ়'।


বাংলাদেশে এখনো আষাঢ় আসতে বেশ কিছুদিন বাকি। তবুও এই গানটিকে কেন যেন আজ খুব প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে। গানের কথাগুলো যেন একান্তই এই সময়ের, এই চারপাশের। এই বাদর মুখর দিনে এ যেন আমার নিজেরই অব্যক্ত অনুভূতি।

এই গানটির মত রবীন্দ্রনাথের আরো কিছু গান আছে যারা মাঝে মাঝে আমাকে নেশাদ্রব্যের মত পেয়ে বসে। শতবার শুনবার পরেও তিলমাত্র ক্লান্তি আসে না। বরং প্রতিবারই নতুন লাগে। আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা- কেন এত ভালো লাগছে? কোথায় তার ক্যারিসমা? কী সেই মোহন লজিক
প্রথম প্রথম মনে হত কিছু স্পেসিফিক রাগের প্রতি হয়তো আমার দূর্বলতা আছে। তাই সেই রাগের গান আমার ভালো লাগে। কথা সত্য। মল্লার রাগের প্রতি আমার বিশেষ প্রীতি আছে (আসলে কার নেই?) কিন্তু পরে দেখা গেল একই গান শিল্পী নির্বিশেষে ভালো লাগছে না। হয়তো মাঝখানে কোথাও একটা গ্রে-এরিয়া আছে। 

সবমিলিয়ে পুরো ব্যাপারটা যখন একবার ভালো লেগে যায় তখন খুব অসহায় বোধ হতে থাকে। কোন স্পষ্ট কারন/লজিক ছাড়া এই 'ভালো লাগা' বিপজ্জনক। আশেপাশের যাবতীয় জরুরী বিষয়, নিজের অস্তিত্ব তখন তুচ্ছ জ্ঞান হতে থাকে। ঘোর লাগে......নিবিঢ় আত্মহননের সাধ জাগে। এখন যেমন জাগছে; জয়তী'র গান শুনে। শুনে দেখেন। বলা যায়না আপনারও জাগতে পারে।  


"আবার এসেছে আষাঢ় 
আকাশ ছেয়ে,
আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে।"

- 
এই লাইনটা একটা পিওর স্ট্যাটমেন্ট; সাধারন বর্ণনা হতে পারতো । কিন্তু গানের সাথে সত্যিই যখন সারা আকাশ জুড়ে মেঘ করে থাকে, বৃষ্টির মন-কেমন ঘ্রাণ এসে নাকে লাগে তখন তার চেয়েও বেশি কিছু মনে হয়; মনে হয় এটা কোন ম্যাক্সিম, আদিম প্রবাদ। এমনটাই হওয়ার কথা ছিলো।      

"এই পুরাতন হৃদয় আমার 
আজি পুলকে দুলিয়া উঠিছে আবার বাজি
নূতন মেঘের ঘনিমার পানে চেয়ে..."

- 
এখানে সরল স্বীকারোক্তি আছে; কনফেশান আছে। রবীন্দ্রনাথ যদিও পঞ্চাশ বছর বয়সে লিখেছিলেন "এই পুরাতন হৃদয়" অথচ গানের ঘোরে আমার নিজেকে তা-ই মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে বহুদিন হলো আমি বেঁচে আছি, পুরনো; জীর্ণ, সময়ের চাপে ক্লিষ্ট। তার মাঝে এই বর্ষার মেঘ বুঝি আজ এক রাশ তারুণ্য নিয়ে এলো;  উচ্ছাস নিয়ে এলো। ওদের তুলনায় আমি কত পুরনো, কত ব্যাক-ডেইটেড!   

""রহিয়া রহিয়া বিপুল মাটির পরে,
নব তৃনদলে বাদলেরও ছায়া পরে।
এসেছে এসেছে, এই কথা বলে প্রান,
এসেছে এসেছে, উঠিতেছে এই গান,
নয়নে এসেছে, হৃদয়ে এসেছে ধেয়ে।
আবার এসেছে আষাঢ় 
আকাশ ছেয়ে।"

প্রায় একশ বছর আগে একটা লোক যে গান লিখে গেছে তা আজও কীভাবে এতো কন্টেম্পোরারি হয়? কেন মনে হয় শতবর্ষের পুরনো এই গান খুব এই ক্ষণের, খুব আমার

কেন মনে হয় আজ আষাঢ়?   

---------------------- 


   

Myself Rani


Queen দেখলাম। সময়ের ব্যবধানে বলিউডি সিনেমা যে কতটুকু পালটে গেছে তার একটা আপাত স্পষ্ট ধারনা পাওয়া গেলো। দশ কি বারো বছর আগেও কেউ কি ঘুণাক্ষরে ভাবতে পারতেন যে  সিনেমা'র শেষ দৃশ্যে এসে নায়িকা তার অনামিকা থেকে এনগেজমেন্ট রিং খুলে নায়কের হাতে গুঁজে দিয়ে মধ্যমা প্রদর্শন করে হাসতে হাসতে দৌড় দিবে। তারপর, উদ্বাহু নৃত্য জুড়ে দিয়ে বলবে - আমি সিঙ্গেল! আমি সিঙ্গেল!!

এ কী হলো বলিউডের? কোথায় গেলো সেই মেলো ড্রামা? সেইসব কোমলমতি ছিঁচ-কাঁদুনে নায়িকা?
অবশ্য শেষ দৃশ্যে নায়িকার এই দৌড়াদৌড়ি'র ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন কারনে আগেও তাদের দৌড়াতে হত। কখনো খারাপ মানুষদের হাত থেকে সম্ভ্রম রক্ষা'র জন্যে, কখনো ক্রমশঃ স্টেশন-ছেড়ে-যাওয়া ট্রেন ধরার জন্যে, কখনো গাড়ির রেসে; কখনো বা এমনিতেই। কিন্তু সেই সব দৌড় ছিল তার কাঙ্খিত পুরুষকে লক্ষ্য করে। এখন দেখা যাচ্ছে তার কোন কাঙ্খিত পুরুষেই নেই। কাঙ্খিত নারী থাকার সম্ভাবনা অবশ্য এক্ষেত্রে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

Queen - এ কঙ্গনাকে যেন আবার পুরনো রূপে (নাকি আরো নতুন?) পাওয়া গেলো। গ্যাংস্টারে আহামরি কোন অভিনয় না করলেও কী একটা কারনে যেন ওকে ভালো লেগেছিলো। সেই সময় আশেপাশে বন্ধুদের চোখেও একইরকম মুগ্ধতা দেখেছিলাম। পরে দু'য়েকটা সিনেমা ছাড়া আর ওরকম ভালো লাগে নি কখনো। সব অবশ্য দেখাও হয়ে ওঠে নি। তবে Queen - এর কঙ্গনা'র সাথে তাদের তুলনা চলে না।

বলিউডি সিনেমার কাহিনীতে ইদানীং মনে হচ্ছে ম্যাট্রিয়ার্কি প্রাধান্য পাচ্ছে। নারী প্রধান সিনেমাগুলো বেশ পসার পাচ্ছে। পাবলিকও খাচ্ছে। এর পেছনে কোন সাম্প্রতিক সোশ্যাল কনটেক্সট জড়িত কিনা ভেবে দেখা যেতে পারে। নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলো জানাজানি হবার পর সাধারন মানুষ হয়তো এখন একজন আইটেম গার্লের পাশাপাশি একজন শক্তিমতীকেও মনে মনে আঁকছেন। Queen এর কঙ্গনা হয়তো তাদের সেই কল্পনা'র শক্তিমতী।    

কীভাবে অন্যের উপর নির্ভর করে না থেকে শত প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে একটা মেয়ে নিজের চেষ্টায় স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারে তা-ই হলো Queen  এর মূল উপজীব্য। এটাকে সাজাতে গিয়ে অন্যান্য পার্শ্ব চরিত্ররা কমবেশি ডালপালা মেলেছে। তাদের মধ্যে লিসা বোধহয় একটু বেশিই মেলে ফেলেছে (নাকি আমার ভুল হচ্ছে?)। আহা লিসা; মায়া বনবিহারিনী হরিণী লিসা।
 
বিগত চার বছর যাবৎ আমার একটা প্রিয় কাজ হলো সপ্তাহ খানেক পরপর Blender'd Pride এর একটা TVC দেখা। মন-টন খারাপ থাকলে অবশ্য আরো বেশি ফ্রিকুয়েন্টলি দেখা হয়। TVC তে দেখানো হয় একটা ভয়ংকর সুন্দর চোখের মেয়ে ভায়োলিন শেখার চেষ্টা করছে। উদ্দেশ্য তার বয়ফ্রেণ্ডকে সারপ্রাইজ দেওয়া। কৃষ্ণকলি বা কালো-হরিণ-চোখ এগুলো যে বাস্তবে সম্ভব তা আমি এই TVC দেখে প্রথম উপলব্ধি করি এবং রবীন্দ্রনাথকে মনে মনে ধন্যবাদ দেই। আজকে বহুদিন পর Queen-এ তাকে দেখে নতুন করে আপ্লুত হলাম, ঘায়েল হলাম। পাঠকের সুবিধার্তে TVC টা শেয়ার দিলাম। চাইলে আপনারাও দেখতে পারেন, কমবেশি ঘায়েল হতে পারেন।


Queen টিপিক্যাল বলিউডি না হলেও আসলে কিন্তু ভারতীয় দর্শকদের মাথায় রেখেই বানানো। সুন্দর পরিসমাপ্তি, বিদেশ বিঁভুইয়ে ইন্ডিয়ান ইমেজ (ম্যারা ভারত মহান), ইন্ডিয়ান সিনেমার গান, দুইদিন প্যারিস আর দুইদিন আমস্টার্ডাম ঘুরে শুধুমাত্র রন্ধন শৈলী'র গুনে আচমকা সফল মানুষ বনে যাওয়া - এগুলো কিন্তু তার-ই ইঙ্গিত বহন করে। তারপরেও কখনো দেখতে খারাপ লাগেনি। সবার বাস্তবিক অভিনয়, সুন্দর স্ক্রিপ্ট, এডিটিং সব মিলিয়ে ভালো একটা সিনেমা।

মূল চরিত্রকে খুব বেশি গ্লোরিফাই না করার কনসেপ্টটা বোধহয় সবচে' ভালো লেগেছে। অনেক নতুন অভিজ্ঞতার পরে, অনেক সফল হবার পরেও বোকা সোকা মেয়েটা কিন্তু ওরকমই রয়ে গেছে। হয়তো সাহসটা কুড়িয়ে পেয়েছে পথে। কিন্তু তাই বলে কোন সুপার উইম্যান হয়ে ওঠে নি। ভাগ্যিস অনুরাগ কাশ্যপ ছিলো।
-------------





To whom She sings

Many are the reasons why I am so grateful to a west bengal-based TV channel named TARA MUSIC. They presented some rather talented musicians who otherwise I would have never come to know about. Jayati Chakrabarty is one of them.

Listening to her has always been a divine euphoria. She mostly sings Tagore's-- perhaps some bests of him, some most favorites of mine.

Of Tagore's, I am a bit inclined to those that have western influence (implicit?). I think these particular tunes sync well with the depth of his lyrics. After all, at end of the day, it is the duo of both lyric and composition that creates the total appeal. Right?

So, what's so special about Jayati? We have a good number of Tagore singers-- professional, not so professional, aspiring, popular, not so popular. How does she differ from the rests? What makes me write about her? Is she the best of all?

I would say crap! NO! (face-palmed). She is not grammatical at all. She breathes at wrong places during her songs. Being accompanied by a grand piano, a violin and often time a spanish guitar, what she sings is no where close to the status-quo. Experts from different Tagore-academia do not sing this way.

Does it remind me of the western origin of Tagore's composition? Does she have a not-so-ill intent to trip her audience back to the western root of Tagore when she mellifluously delivers the sound of music in her very own way? I wish I had those answers.

But, one thing I know for sure Jayati has a unique, gifted voice, fortunately not tamed by Shanti Niketon, and it is immensely beautiful. Every time I listen to her, it leaves me with goosebumps. I feel lost, rather escaped from my busy surroundings, from all city headaches.

I like the way her entourage blends their foreign instruments in where typical tagorish arrangement gets somewhat gainsaid; where a brand new sound emerges, sometime hushes underneath.

FYI - Jayati does not do 'fusion' or, for that matter mash-ups. She rather experiments. She merely tweaks the tempo and improvises around the backdrop. That way, each and every nuances she takes care of become more vibrant which perhaps would have not been possible in traditional format; nor in any studio 'fusion' we critically acclaim.

I listened to Jayati mostly on You Tube. Recently one of my close friends, Mishu, brought me a physical copy of Jayati's album from Kalkata. My deep gratitude to him.

I wish one day I'd have all of her albums piled up on my table glaring. But, till then You Tube seems to be the only good source. So, I thought why don't I make a list of all available tracks that would give me access from one single post.

So, here it goes, a glimpse of Jayati-pedia:

My You Tube playlist: 


Tara TV Programs:
-------------------------------------
চিরন্তনী (০৪ ডিসেম্বর, ২০১০):
প্রথম পর্ব


দ্বিতীয় পর্ব


চিরন্তনী (১১ ডিসেম্বর, ২০১০):
প্রথম পর্ব


দ্বিতীয় পর্ব


চিরন্তনী (৮ জানুয়ারী, ২০১১):
প্রথম পর্ব


দ্বিতীয় পর্ব


তৃতীয় পর্ব


চিরন্তনী (১ নভেম্বর, ২০১১):
প্রথম পর্ব


দ্বিতীয় পর্ব


তৃতীয় পর্ব


Here goes separate tracks w/o any specific order:

১) আমার ব্যাথা যখন


২) রাত্রি এসে যেথায় মেশে


৩) আমি চঞ্চল হে


৪) ছায়া ঘনায়েছে বনে বনে


৫) লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ


৬) তুমি কি কেবলি ছবি


৭) মেঘে'র পরে মেঘ জমেছে


৮) আমি তোমার প্রেমে


৯) আমার যে দিন


১০) একটুকু ছোঁয়া লাগে


১১) প্রেম এসেছিলো


১২) যদি জানতেম


১৩) তোমার সুর শোনায়ে


১৪) চক্ষে আমার তৃষ্ণা


১৫) বিরহ মধুর হল আজি


১৬) সেই ভালো সেই ভালো


১৭) সে'দিন দু'জনে


১৮) তুমি কোন কাননের ফুল


১৯) চরন ধরিতে দিও গো


২০) আবার এসেছে আষাঢ়


২১) আজ জ্যোৎস্না রাতে


২২) প্রাণে খুশির তুফান


২৩) আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে


২৪) সকাল বেলার আলোয় বাজে


২৫) তোমার অসীমে


২৬) প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে


২৭) দীপ নিবে গেছে মম


২৮) পথে চলে যেতে যেতে


২৯) বধূ কোন আলো


৩০) আমার রাত পোহালো


৩১) মধুর মধুর ধ্বণি


৩২) ধায় যেন মোর সকল ভালোবাসা


৩৩) কি সুর বাজে


৩৪) আমার হিয়ার মাঝে


৩৫) আমার পরান যাহা চায়


৩৬) আমার মল্লিকা বনে


৩৭) যে ছিল আমার স্বপনচারিনী


৩৮) তোমায় গান শোনাবো


৩৯) কার মিলন চাও বিরহী


৪০) আনন্দধারা বহিছে ভুবনে


৪১) তুমি কোন কাননের ফুল



আহ্ এপ্রিল!

আহ্ এপ্রিল!




একটা বিমর্ষ আপেলের পাশে এসে

ঢলে পড়ছে আমাদের রোদজ অবসাদ;

পারদ ঘাম; 

অনেক মেধার ফল।

একটা সুন্দর ভাবনার পাশে এসে

আমরা নুয়ে পড়ছি খুব তাপের ভারে।

প্রখর চৈত্রে’র দিনে 

আমরা ক’জন 

উবে যাচ্ছি ছায়াহীন মাতালের মত।
দ্যাখো হলুদ বনানী!

শার্টের হাতায়, কলারে 

ফুটে আছে এপ্রিল ফুল হয়ে। 


            # 


[চৈত্রের সাইরেনে ক্রমশ গলে যাচ্ছে আমাদের সমস্ত চিন্তার ট্রেন।
তখন মেঘের সকাশে আমরা “টু-লেট” খুঁজে ফিরি; মাছে’র মাকে গিয়ে বলি- প্লিজ, আমাদের পুত্র করে নাও; শোকে-সন্তাপে তবু জলে ডুবে থাকি এই বিশ্রী এপ্রিলে!] 

Matteo Carcassi Opus 60 No 3

It is a beautiful yet easy-to-play study piece by Matteo Carcassi. I remember,at that time, I was preparing for a competition and in the long playlist I found this easiest to play. Perhaps that's why during the competition this was the only piece (among many) that I was able to play accurately on the stage :P 





Evocacion

It was mid summer; perhaps being a little bit drunk I did not really bother to put my fan on while recording. Only after when I was done I realized the rolling noise that my fan generates backdropped the entire track. Crap!! - I said. 

Then after a long time, on one fine morning, while clearing some space from my laptop I happened to hear it again. And I said - Wow! Its so live! Why did I leave it in the bin?

Later, I recorded Evocacion multiple times but, for some unknown reasons, never liked them as much as I like this noisy, loud, echoed, dirty (?) version of Evocacion. 

So, here it goes... the magnum opus by Jose Luis Merlin. 



  

El sueno de la muneca

I seem to have a special penchant for Barrios's music. He is seen as one of the greatest musicians of all time by many. His music is known for being more poetic, more structured yet intriguing. El sueno de la muneca which means the Sleep of the Little Doll is one of them.

For me, somewhere in this piece, lies a divine serenity, a kind of stillness...a hush that slowly descends over informing time and again as if a little doll is indeed sleeping!



Greensleeves

Greensleeves is a traditional English folk song. The tune is found in several late-16th and early 17th-century sources. 

One possible interpretation of the lyrics is that Lady Green Sleeves was a promiscuous young woman and perhaps a prostitute. At the time, the word "green" had sexual connotations, most notably in the phrase "a green gown", a reference to the way that grass stains might be seen on a woman's dress if she had engaged in sexual intercourse out of doors. Interesting, ha? 

This is one of those pieces I learned at my elementary guitar-class.



Feste Lariane

The beauty of Feste Lariane, composed by Luigi Mozzani (1869 - 943), perhaps lies in it's right hand technique. The way the same composition is played in three distinct manners in three distinct phases is unique. The technique used in the last part is called 'tremolo'. I don't know what the second part is called or, even if it does have a name.

Being referred by one of my friends I heard a youtube version of it played by korean guitarist Oh Seung Kook and I loved it. Since then he, for that matter his youtube video, became a great inspiration and I used to keep following his playing style, tempo, feel and more importantly the nuances through which he plots the silence.  


Here goes my version, of course nowhere close to Kook's :P     


    

Romance Anónimo

Romance Anónimo (Anonymous Romance) often leaves me pensive with its origin and authorship in question. The earliest recording of Romance is on phonographic cylinder made in Madrid more than a century ago. Since then for years it has been played acknowledging some anonymous composer!
I find no reason why on earth does such a beautiful piece have no author? What terrible things happened to the maestro that led him to such oblivion?
Romance indeed fills me with romanticism like the smell of an unknown alcohol, like the best poetry I am yet to read, like embracing a total stranger gifted but unsung.
Being unaware of how well does it suit I have tried some tremolo at the end. My gratitude would find no words for my friend who first taught me to play Romance. Even the recorder I am using now happened to be bestowed by him.
It's for you pal.

খুব ঘুমের আগে

খুব ঘুমের আগে




তোমার সুবাদে ঘুম আসে গ্রামে

শীতকালে আমার বিছানার পাশে

উড়ে আসে বালিহাঁস। 



অজস্র ব্যাথার ময়ূর


ঝড়ে পড়ে একে একে


ডেক্সপোটেন সিরাপের পাশে

দ্যাখো বিষাদের উদাহরণ


কেউ ফেলে গেছে ভুলে


ভাতঘুম চোখে নিয়ে




কেউ উঠে চলে গেছে



দূরে...


প্রযুক্তির দিকে। 


--------------------------------------