জিতুর সাথে প্রথম কিভাবে পরিচয় হয়েছিলো মনে নেই। সে পরিচয়ে হয়তো মনে রাখার মত তেমন কিছু ছিলো না, কিন্তু এরপরে কোন এক সময়ে এসে আমরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেছি। তার আগে একই ছাদের নিচে টানা দু'বছর ক্লাস করেছি। একই ইউনিভার্সিটিতে আলাদা ডিপার্টমেন্টে প্রায় পাঁচ বছর পড়েছি। ক্যালেন্ডারের হিসেবে নি:সন্দেহে বেশ দীর্ঘ সময়।
কিছু মানুষ আছে যাদের হাসি দেখলেই মনে হয় "বেঁচে থাকা ব্যাপারটা নেহাৎ মন্দ নয়"। জিতু তাদের মধ্যে একজন। জিতুর হাসিতে প্রায় আমাদের মন ভালো হয়। হতাশা কাটে। দুরারোগ্য ব্যাধি সারে।
যে বিষয়টা আসলে বলার জন্যে এতক্ষণ ভণিতা করছি সেটা হলো ক'দিন আগে জিতু আমাকে একটা আবৃত্তি শুনিয়ে বিনা মেঘে টাস্কি খাইয়েছে। জিতুর অনেক গুন। তার উপরে সে যে এতো মসৃণ আবৃত্তি করে এটা আমার জানা ছিলো না। আবেগে ঘি ঢালার কারনটি আরো চাঞ্চল্যকর। জিতু আমারই লেখা একটা ছাইপাশ আবৃত্তি করেছে!
এমনিতেই আমার নিজের লেখা নিয়ে সংশয়ের কোন সীমা পরিসীমা নেই। কিন্তু জিতু'র আবৃত্তি শুনে মনে হয়েছে যাক কিছু একটা বোধ হয় দাঁড়িয়েছে। নইলে কেউ আবৃত্তি করবে কেন? জিতুকে কখনো মুখোমুখি ধন্যবাদ দেয়া হয়নি। কিছু বন্ধুত্ব ধন্যবাদ আদান প্রদানের ফরমালিটির মধ্যে আটকে থাকে না। এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। দেখা হলেই হয়তো আমাদের সম্বোধণ শুরু হচ্ছে কোন জন্মপরিচয় সংশয়কারী গালি দিয়ে যেখানে কবিতার মত বিষয় আসতে একটু সময় লাগে। তাই উপায়ান্তর না দেখে আমি এই বিকল্প ব্যবস্হার দারস্থ হয়েছি এবং বলছি - জিতু তোকে অনেক থ্যাঙ্কস্।
আগেই একবার বলেছি আমাদের বন্ধুত্বের বয়স প্রায় সাত বছরের মত। এই সাত বছর বয়েসী বন্ধুত্বের এখন ভরা যৌবনকাল। আমি এর চিরযৌবন কামনা করি। আরো একশ বছর পরেও এবন্ধুত্ব চিরযুবক থাকুক।
কিছু মানুষ আছে যাদের হাসি দেখলেই মনে হয় "বেঁচে থাকা ব্যাপারটা নেহাৎ মন্দ নয়"। জিতু তাদের মধ্যে একজন। জিতুর হাসিতে প্রায় আমাদের মন ভালো হয়। হতাশা কাটে। দুরারোগ্য ব্যাধি সারে।
যে বিষয়টা আসলে বলার জন্যে এতক্ষণ ভণিতা করছি সেটা হলো ক'দিন আগে জিতু আমাকে একটা আবৃত্তি শুনিয়ে বিনা মেঘে টাস্কি খাইয়েছে। জিতুর অনেক গুন। তার উপরে সে যে এতো মসৃণ আবৃত্তি করে এটা আমার জানা ছিলো না। আবেগে ঘি ঢালার কারনটি আরো চাঞ্চল্যকর। জিতু আমারই লেখা একটা ছাইপাশ আবৃত্তি করেছে!
এমনিতেই আমার নিজের লেখা নিয়ে সংশয়ের কোন সীমা পরিসীমা নেই। কিন্তু জিতু'র আবৃত্তি শুনে মনে হয়েছে যাক কিছু একটা বোধ হয় দাঁড়িয়েছে। নইলে কেউ আবৃত্তি করবে কেন? জিতুকে কখনো মুখোমুখি ধন্যবাদ দেয়া হয়নি। কিছু বন্ধুত্ব ধন্যবাদ আদান প্রদানের ফরমালিটির মধ্যে আটকে থাকে না। এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। দেখা হলেই হয়তো আমাদের সম্বোধণ শুরু হচ্ছে কোন জন্মপরিচয় সংশয়কারী গালি দিয়ে যেখানে কবিতার মত বিষয় আসতে একটু সময় লাগে। তাই উপায়ান্তর না দেখে আমি এই বিকল্প ব্যবস্হার দারস্থ হয়েছি এবং বলছি - জিতু তোকে অনেক থ্যাঙ্কস্।
আগেই একবার বলেছি আমাদের বন্ধুত্বের বয়স প্রায় সাত বছরের মত। এই সাত বছর বয়েসী বন্ধুত্বের এখন ভরা যৌবনকাল। আমি এর চিরযৌবন কামনা করি। আরো একশ বছর পরেও এবন্ধুত্ব চিরযুবক থাকুক।
|
৫টি মন্তব্য:
tui likhar font ta boro kor na arektu......age pore eta de na....porte subida hoito
@ abir : font is quite ok in my browser. u may use "ctrl +" thanks buddy for reading and comments
valo hoise..bt oi chaipas ta dekhte chai...pls link dao...bol
apne ke vai? oporichito lokjonder ami link dei na :P
dosto ami anis...Govt High er anis...mone ase?? Tore face book a request send korsi ekto confirm kore nish....R ami to jantam tui shudu Art a boss chili....Likha lkihi kokon thekhe start korli???joooshhh hoise likha guli...bye.tc
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন