পিলু মমতাজের দরদী গান "চারা গাছে ফুল ফুটাইছে, ডাল ভাইঙ্গো নাগো মালী, ডাল ভাইঙ্গো না" শুনতে একটু হলেও অশ্লীল শোনায়।
কিন্তু রবীন্দনাথ যখন লেখেন-
"ধীরে বও ধীরে বও, সমীরণ
সবেদন পরশন
শঙ্কিত চিত্ত মোর
পাছে ভাঙে বৃন্তডোর"
তখন কিন্তু অতটা খারাপ শোনায় না- যদিও দুজনেই আক্ষরিক অর্থে একই উপমা ব্যবহার করছেন।
তাহলে কি এটা ভাষার দোষ? অবচেতনে একটা ভাষাকে আমরা এলিট মর্যাদা দিয়ে রেখেছি? এ ভাষায় যাই বলা হোক না কেন শুনতে ভাল লাগবে? সাহিত্য-সাহিত্য মনে হবে? আর অন্য ভাষায় বললে খ্যাত শোনাবে? এ কারণে যাবতীয় গালি-গালাজ, স্ল্যাং সব সেই ভাষার জন্যে তোলা?
আগ্রহীরা পুরো গানটা এখানে শুনে দেখতে পারেনঃ
তাহলে কি এটা ভাষার দোষ? অবচেতনে একটা ভাষাকে আমরা এলিট মর্যাদা দিয়ে রেখেছি? এ ভাষায় যাই বলা হোক না কেন শুনতে ভাল লাগবে? সাহিত্য-সাহিত্য মনে হবে? আর অন্য ভাষায় বললে খ্যাত শোনাবে? এ কারণে যাবতীয় গালি-গালাজ, স্ল্যাং সব সেই ভাষার জন্যে তোলা?
আগ্রহীরা পুরো গানটা এখানে শুনে দেখতে পারেনঃ
"যৌবন সরসী নীরে মিলন শতদল
কোন্ চঞ্চল বন্যায় টলোমল্ টলোমল্?
শরম রক্ত রাগে তার গোপন স্বপ্ন জাগে,
তারি গন্ধকেশর-মাঝে এক বিন্দু নয়ন জল"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন